ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

সাবেক এমপি শাওনের স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সাবেক এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মামলাটি দায়ের করেন।

দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, অনুসন্ধানে ফারজানা চৌধুরীর নামে মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৬২ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ৩৯৫ টাকা।

তবে ১ কোটি ৫২ লাখ ৮ হাজার ৫২৬ টাকার ব্যয় বাদ দিলে তার গ্রহণযোগ্য বৈধ আয় দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৯ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩ টাকা।

আকতারুল ইসলাম জানান, ফারজানার নামে বা বেনামে আরও সম্পদ থাকার তথ্য থাকায় কমিশন তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২০ জুলাই তার ঠিকানায় গিয়ে সম্পদ বিবরণী ফরম ঝুলিয়ে নোটিশ জারি করলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করেননি। এ সময়সীমার মধ্যে তিনি সময় বাড়ানোর কোনও আবেদন করেননি।

নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করা দুদক আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পাশাপাশি ২ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কর হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি শাওনের স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সাবেক এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মামলাটি দায়ের করেন।

দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, অনুসন্ধানে ফারজানা চৌধুরীর নামে মোট ২ কোটি ৯৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৬২ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৭ লাখ ৭৫ হাজার ৩৯৫ টাকা।

তবে ১ কোটি ৫২ লাখ ৮ হাজার ৫২৬ টাকার ব্যয় বাদ দিলে তার গ্রহণযোগ্য বৈধ আয় দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৯ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩ টাকা।

আকতারুল ইসলাম জানান, ফারজানার নামে বা বেনামে আরও সম্পদ থাকার তথ্য থাকায় কমিশন তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২০ জুলাই তার ঠিকানায় গিয়ে সম্পদ বিবরণী ফরম ঝুলিয়ে নোটিশ জারি করলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করেননি। এ সময়সীমার মধ্যে তিনি সময় বাড়ানোর কোনও আবেদন করেননি।

নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করা দুদক আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পাশাপাশি ২ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কর হয়।