ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় লাফ: এপ্রিলের ২২ দিনেই এলো ২৪২ কোটি ডলার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশে প্রবাসী আয়ের বা রেমিট্যান্সের জোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সময়ে দেশে মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে প্রায় ১০ কোটি ১৯ লাখ ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আসছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এবার প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। ধারাবাহিক এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ানডে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টোয়েন্টি মিশনে বাংলাদেশ: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি টাইগাররা

রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় লাফ: এপ্রিলের ২২ দিনেই এলো ২৪২ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশে প্রবাসী আয়ের বা রেমিট্যান্সের জোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সময়ে দেশে মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে প্রায় ১০ কোটি ১৯ লাখ ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আসছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে এবার প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। ধারাবাহিক এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।