পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুপুর তিনটা পর্যন্ত আট ঘণ্টায় গড় ভোট পড়েছে প্রায় ৭৮.৭৭ শতাংশ। এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি একদিকে যেমন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়, তেমনই কিছু আসনে রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
বিশেষ করে, মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ আসনে ভোটদানের হার সর্বাধিক, যা ৮৭.৫৩ শতাংশে পৌঁছেছে। এই আসনটি মুসলিম অধ্যুষিত এবং সম্প্রতি ভোটার তালিকা থেকে কিছু নাম বাদ পড়ার ঘটনায় এটি বিশেষভাবে আলোচনায় ছিল। এছাড়াও, লালগোলা ও ভগবানগোলা আসন দুটিতেও যথাক্রমে প্রায় ৮৫ শতাংশ ও প্রায় ৮৪ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানেও ভোটার তালিকা থেকে কিছু নাম বাদ পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।
বিবিসির সংবাদদাতাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তিনটি অঞ্চলেই বহু পরিযায়ী শ্রমিক অন্য রাজ্য থেকে শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্যই বাড়ি ফিরে এসেছেন। তাদের মধ্যে একটি আশঙ্কা কাজ করছিল যে, এবারের ভোট দিতে না পারলে হয়তো ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম কেটে দেওয়া হতে পারে। এই আশঙ্কায় তারা কাজের শেষে বাড়ি ফিরে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, রাজ্যের বিদায়ী বিধানসভায় বিরোধী-দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যে নন্দীগ্রাম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সেখানে বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৮১.৩ শতাংশ। তবে, সবচেয়ে কম ভোটদানের হার লক্ষ্য করা গেছে পুরুলিয়া আসনে, যেখানে বিকেল তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭২.২২ শতাংশ।
রিপোর্টারের নাম 




















