ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন খালেদা জিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুবিধা এবং উচ্চ মর্যাদা বিবেচনায় তাকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে দেশের আইন অনুযায়ী বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্ট খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।  

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) একটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী, যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিভিআইপি) নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকে। এসএসএফ বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ ও দেশের বাইরে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের শারীরিক নিরাপত্তায় যেকোনও ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা ও সেগুলো প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

এছাড়াও তারা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ি ও অফিসে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সেই অনুযায়ী খালেদা জিয়া সব ধরনের সুবিধা পাবেন। যেহেতু খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, সেখানেও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এসএসএফ। এসএসএফ’র নিরাপত্তা বিধানে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিশেষ পরিবহনের ব্যবস্থা করবে এসএসএফ।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষেত্র বিশেষে প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার জন্য এই আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট আছে। এর সঙ্গে পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার টিমও কাজ করে। পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে।

কীভাবে রাষ্ট্র ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা দেয়  

গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রাষ্ট্র কোনও ব্যক্তিকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার ঘোষণা করে থাকে। বাংলাদেশ সফরে আসা জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকেও ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে এমন কোনও গেজেট নোটিফিকেশন পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়।  

নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসএসএফ পায় পূর্ণ স্বাধীনতা

বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১-এ বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী [বা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা] যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের শারীরিক নিরাপত্তা দেওয়া বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হবে। এই বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেও শারীরিক নিরাপত্তা দেবে।

এই বাহিনী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদান করবে এবং তাদের শারীরিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আইনে বলা হয়েছে, এই বাহিনীর কোনও কর্মকর্তার যদি এমন বিশ্বাস করার কারণ থাকে, যে স্থানে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী বা ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বাস করছে বা অবস্থান করছেন বা যে স্থান দিয়ে অতিক্রম করছেন বা অতিক্রমণ করবেন, সেই স্থানে বা স্থানের কাছে কোনও ব্যক্তির উপস্থিতি বা চলাচল রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীরা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা উক্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবেন এবং যদি উক্ত ব্যক্তি গ্রেফতার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন অথবা গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপায় অবলম্বন করতে পারবেন। প্রয়োজনে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর তার ওপর গুলি চালাতে পারবেন অথবা তার ওপর এমন অন্য কোনও বল প্রয়োগ করতে পারবেন যাতে তার মৃত্যু হয়।

সারা দেশে আছে এসএসএফ’র ক্ষমতা

আইনে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, তল্লাশি, আটক ও গ্রেফতারের ক্ষমতাসহ থানার একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যেসব ক্ষমতা আছে, বাহিনীর একজন কর্মকর্তার সমগ্র বাংলাদেশে সেই সব ক্ষমতা থাকবে, তবে এই আইনের অধীন তার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন না হলে তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন না।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে বাহিনীর কর্মকর্তা কর্তৃক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোনও ক্ষমতা প্রয়োগ করা হলে, আপাতত বলবৎ কোনও আইনের অধীনে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ সম্পর্কে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যে সব দায়িত্ব, বিশেষ অধিকার ও দায় থাকে বাহিনীর সেই কর্মকর্তারও সেই সব দায়িত্ব, বিশেষ অধিকার ও দায় থাকবে।

এই বাহিনী তার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশে প্রয়োজন মনে করলে, কোনও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সহায়তা চাইতে পারবে এবং সহায়তা চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। কোনও গোয়েন্দা সংস্থা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা কোনও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনও তথ্য অবগত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া ও ইরানের তেলের ওপর দেওয়া বিশেষ ছাড় প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে যেসব সুবিধা পাবেন খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০৯:১০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুবিধা এবং উচ্চ মর্যাদা বিবেচনায় তাকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে দেশের আইন অনুযায়ী বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) এবং একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্ট খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে।  

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) একটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী, যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিভিআইপি) নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকে। এসএসএফ বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ ও দেশের বাইরে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের শারীরিক নিরাপত্তায় যেকোনও ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা ও সেগুলো প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

এছাড়াও তারা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ি ও অফিসে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। সেই অনুযায়ী খালেদা জিয়া সব ধরনের সুবিধা পাবেন। যেহেতু খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, সেখানেও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এসএসএফ। এসএসএফ’র নিরাপত্তা বিধানে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার প্রয়োজনে বিশেষ পরিবহনের ব্যবস্থা করবে এসএসএফ।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষেত্র বিশেষে প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তার জন্য এই আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট আছে। এর সঙ্গে পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার টিমও কাজ করে। পুলিশের সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নও এই নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে।

কীভাবে রাষ্ট্র ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা দেয়  

গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে রাষ্ট্র কোনও ব্যক্তিকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার ঘোষণা করে থাকে। বাংলাদেশ সফরে আসা জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেকেও ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে এমন কোনও গেজেট নোটিফিকেশন পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার উপদেষ্টা পরিষদ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়।  

নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসএসএফ পায় পূর্ণ স্বাধীনতা

বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১-এ বলা হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী [বা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা] যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, তাদের শারীরিক নিরাপত্তা দেওয়া বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হবে। এই বাহিনী বাংলাদেশে অবস্থানরত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকেও শারীরিক নিরাপত্তা দেবে।

এই বাহিনী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদান করবে এবং তাদের শারীরিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আইনে বলা হয়েছে, এই বাহিনীর কোনও কর্মকর্তার যদি এমন বিশ্বাস করার কারণ থাকে, যে স্থানে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী বা ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বাস করছে বা অবস্থান করছেন বা যে স্থান দিয়ে অতিক্রম করছেন বা অতিক্রমণ করবেন, সেই স্থানে বা স্থানের কাছে কোনও ব্যক্তির উপস্থিতি বা চলাচল রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীরা, ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা উক্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর, তাহলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবেন এবং যদি উক্ত ব্যক্তি গ্রেফতার প্রচেষ্টায় বলপ্রয়োগক্রমে বাধা দেন অথবা গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা গ্রেফতার কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপায় অবলম্বন করতে পারবেন। প্রয়োজনে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর তার ওপর গুলি চালাতে পারবেন অথবা তার ওপর এমন অন্য কোনও বল প্রয়োগ করতে পারবেন যাতে তার মৃত্যু হয়।

সারা দেশে আছে এসএসএফ’র ক্ষমতা

আইনে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনও আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, তল্লাশি, আটক ও গ্রেফতারের ক্ষমতাসহ থানার একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যেসব ক্ষমতা আছে, বাহিনীর একজন কর্মকর্তার সমগ্র বাংলাদেশে সেই সব ক্ষমতা থাকবে, তবে এই আইনের অধীন তার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন না হলে তিনি সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন না।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে বাহিনীর কর্মকর্তা কর্তৃক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কোনও ক্ষমতা প্রয়োগ করা হলে, আপাতত বলবৎ কোনও আইনের অধীনে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ সম্পর্কে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যে সব দায়িত্ব, বিশেষ অধিকার ও দায় থাকে বাহিনীর সেই কর্মকর্তারও সেই সব দায়িত্ব, বিশেষ অধিকার ও দায় থাকবে।

এই বাহিনী তার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশে প্রয়োজন মনে করলে, কোনও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, সরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সহায়তা চাইতে পারবে এবং সহায়তা চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। কোনও গোয়েন্দা সংস্থা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা ক্ষেত্রমতো, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা কোনও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনও তথ্য অবগত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে।