মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

এনজিও কর্মীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর যোগ্য কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে নিবন্ধিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ২৫০টি এনজিওর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। সভায় বিশেষভাবে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য প্রণীত ‘প্রগতি’ স্কিমে এনজিও কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. কে. এম. মামুন উজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ কামরুল হাসান শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কাঠামো, উদ্দেশ্য ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন। তিনি এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিমের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করে বলেন, নিয়মিত চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শেষে এ স্কিমের আওতায় আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম দেশের নাগরিকদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত একটি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ বেসরকারি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় এনজিও প্রতিনিধিরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের ঘোষণা: রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উদযাপন মাসব্যাপী

এনজিও কর্মীদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর যোগ্য কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সঙ্গে নিবন্ধিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ২৫০টি এনজিওর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। সভায় বিশেষভাবে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য প্রণীত ‘প্রগতি’ স্কিমে এনজিও কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ, অর্থ বিভাগ ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. কে. এম. মামুন উজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ কামরুল হাসান শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কাঠামো, উদ্দেশ্য ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন। তিনি এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিমের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করে বলেন, নিয়মিত চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শেষে এ স্কিমের আওতায় আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম দেশের নাগরিকদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত একটি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ বেসরকারি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় এনজিও প্রতিনিধিরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।