ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় সরকারের বিরুদ্ধে কিশোরের মামলা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিধাজ্ঞায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক কিশোর। ১৫ বছর বয়সি নোয়া জোন্সের দাবি, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে সহজেই কিশোররা সব করতে পারবে এবং বরং তারা আরও বিপথে পা বাড়াতে পারে।

যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলস এবং ই–সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্রান্টের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে জোন্সের সঙ্গে ১৫ বছরের আরেক কিশোর সহ-বাদী হিসেবে আছে।

১০ ডিসেম্বর কার্যকর হতে যাওয়া আইন অনুযায়ী, মেটার ইনস্টাগ্রাম, টিকটক এবং স্ন্যাপচ্যাটের মতো প্ল্যাটফর্মে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সরকার বলছে, এই নিষেধাজ্ঞা শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট ও অনলাইন শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

তবে জোন্সের দাবি, এই নীতিটি কিশোরদের বিচ্ছিন্ন করবে এবং আরও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে ঠেলে দেবে।

মামলার আরেক বাদীর দাবি, নিষেধাজ্ঞাটি সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে এবং এটি বাতিল করে সাইবারবুলিং ও অনলাইন শিকারিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

রয়টার্সকে জোন্স বলে, যখন ছোটরা গোপনে কিছু করে, তখনই সেটা সত্যিকারের বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই আমাদের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খারাপ দিকগুলো বন্ধ করা।

জোন্সের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সংযুক্ত থাকার এবং মতবিনিময়ের অপরিহার্য মাধ্যম।

তার মন্তব্য, আমার ক্লাসের প্রায় সবাই স্ন্যাপচ্যাটে আছে। এটা হালকাভাবে সংযুক্ত থাকার উপায়। অথচ নতুন সিদ্ধান্তে অনেকেই বেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আমি সম্ভবত এই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাব। আমার অনেক বন্ধুও তা করবে।

জোন্সের মতে, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সরকার নয়, অভিভাবকদের নেওয়া উচিত।

যোগাযোগমন্ত্রী বা ই–সেফটি কমিশনার এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। তবে ওয়েলস বলেছেন, যেকোনও আইনি চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সরকার এই আইনের পক্ষে থাকবে।

এখনও মামলাটির শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

অস্ট্রেলিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞায় সরকারের বিরুদ্ধে কিশোরের মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৩১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিধাজ্ঞায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক কিশোর। ১৫ বছর বয়সি নোয়া জোন্সের দাবি, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিয়ে সহজেই কিশোররা সব করতে পারবে এবং বরং তারা আরও বিপথে পা বাড়াতে পারে।

যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলস এবং ই–সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্রান্টের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে জোন্সের সঙ্গে ১৫ বছরের আরেক কিশোর সহ-বাদী হিসেবে আছে।

১০ ডিসেম্বর কার্যকর হতে যাওয়া আইন অনুযায়ী, মেটার ইনস্টাগ্রাম, টিকটক এবং স্ন্যাপচ্যাটের মতো প্ল্যাটফর্মে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সরকার বলছে, এই নিষেধাজ্ঞা শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট ও অনলাইন শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করবে।

তবে জোন্সের দাবি, এই নীতিটি কিশোরদের বিচ্ছিন্ন করবে এবং আরও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে ঠেলে দেবে।

মামলার আরেক বাদীর দাবি, নিষেধাজ্ঞাটি সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে এবং এটি বাতিল করে সাইবারবুলিং ও অনলাইন শিকারিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

রয়টার্সকে জোন্স বলে, যখন ছোটরা গোপনে কিছু করে, তখনই সেটা সত্যিকারের বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই আমাদের উচিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খারাপ দিকগুলো বন্ধ করা।

জোন্সের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সংযুক্ত থাকার এবং মতবিনিময়ের অপরিহার্য মাধ্যম।

তার মন্তব্য, আমার ক্লাসের প্রায় সবাই স্ন্যাপচ্যাটে আছে। এটা হালকাভাবে সংযুক্ত থাকার উপায়। অথচ নতুন সিদ্ধান্তে অনেকেই বেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আমি সম্ভবত এই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাব। আমার অনেক বন্ধুও তা করবে।

জোন্সের মতে, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত সরকার নয়, অভিভাবকদের নেওয়া উচিত।

যোগাযোগমন্ত্রী বা ই–সেফটি কমিশনার এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। তবে ওয়েলস বলেছেন, যেকোনও আইনি চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সরকার এই আইনের পক্ষে থাকবে।

এখনও মামলাটির শুনানির তারিখ নির্ধারণ হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স