কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ২৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪৯৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। নিহতদের স্মরণে দেশটিতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে সরকারি ভবন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা কলম্বিয়ার দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
গত সোমবার স্থানীয় সময় সকালে কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকা। ভূমিকম্পের কম্পন পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয় এবং কালি, পেরেইরা, মানিজালেস ও কিবদোর মতো শহরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্পের পর ৭০টির বেশি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটির মাত্রা ছিল ৪-এর বেশি। এই পরাঘাতগুলো উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। অনেক ভবন ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ জীবিত আছেন কিনা তা খুঁজে দেখতে উদ্ধারকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছেন।
ভূমিকম্পটি দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলার জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কর্তৃপক্ষ জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলা নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন।
সরকার দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পাঠাচ্ছে। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো সচল করার কাজও চলছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছে। মেক্সিকো ও এল সালভাদরও সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















