মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি খাতে বিগত সরকারের অলিগার্কদের আধিপত্য ভাঙার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে গুটিকয়েক অলিগার্কের হাত থেকে মুক্ত করে জনগণের মালিকানায় ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচারী আমলে এই কৌশলগত খাতটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী ছিল। এই অসম ব্যবস্থা পুনর্গঠন করে একটি জনবান্ধব কাঠামো গড়ে তুলতে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকার কাজ শুরু করেছে।

জাতীয় সংসদে আগামী ১০ বছরের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা উপস্থাপনের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কেবল বাণিজ্যিক পণ্য নয়, বরং একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কলকারখানা, হাসপাতাল ও সাধারণ নাগরিক জীবন সচল রাখতে এই খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বিগত সরকারের মদদপুষ্ট মাফিয়া ও অলিগার্করা দেশের অর্থনীতিকে জিম্মি করে রেখেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই বিপ্লবের সময় এই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীটি তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর ওপর অতি-নির্ভরশীলতা কমিয়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই খাতের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি খাতে একচেটিয়া ব্যবস্থার অবসান: বেসরকারি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার

জ্বালানি খাতে বিগত সরকারের অলিগার্কদের আধিপত্য ভাঙার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে গুটিকয়েক অলিগার্কের হাত থেকে মুক্ত করে জনগণের মালিকানায় ফিরিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচারী আমলে এই কৌশলগত খাতটিকে পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী ছিল। এই অসম ব্যবস্থা পুনর্গঠন করে একটি জনবান্ধব কাঠামো গড়ে তুলতে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকার কাজ শুরু করেছে।

জাতীয় সংসদে আগামী ১০ বছরের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা উপস্থাপনের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কেবল বাণিজ্যিক পণ্য নয়, বরং একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কলকারখানা, হাসপাতাল ও সাধারণ নাগরিক জীবন সচল রাখতে এই খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বিগত সরকারের মদদপুষ্ট মাফিয়া ও অলিগার্করা দেশের অর্থনীতিকে জিম্মি করে রেখেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই বিপ্লবের সময় এই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীটি তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর ওপর অতি-নির্ভরশীলতা কমিয়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই খাতের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।