ডারউইন টেস্টে সফরকারী বাংলাদেশের বোলাররা অস্ট্রেলিয়াকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া একসময় দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশের পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তারা সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবারও চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। লাঞ্চের পর স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারির জুটিতে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা স্বস্তি পেলেও, সেই জুটি ভেঙে আবারও টাইগাররা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
৩৭তম ওভারের প্রথম বলে এবাদত হোসেন অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে দেন। অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরের দিকে ঢোকা বলে পাঞ্চ করতে গিয়ে ক্যারি ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্পে আঘাত পান। ১৯ রান করা এই ব্যাটসম্যানের বিদায়ের ফলে ৫৫ রানের জুটি ভেঙে যায়। এরপর তাসকিন আহমেদের করা ৩৯তম ওভারে বো ওয়েবস্টারও টিকতে পারেননি। ১০ বলে ১২ রান করে সরাসরি বোল্ড হন তিনি। ৩৯ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৫৪ রান। এর কিছুক্ষণ পরই হাসান মাহমুদ সপ্তম উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও বিপদে ফেলেন। পরবর্তীতে স্টার্ককেও ফিরিয়ে অজিদের আরও একটি ধাক্কা দেন হাসান।
এর আগে, নতুন বল হাতে তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। বিশেষ করে হাসানের সুইং ও বাউন্সে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। ১২তম ওভারে হাসান ওয়েদারাল্ডকে ২৩ রানে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন। দুই ওভার পর আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকেও ২২ রান করে বোল্ড করেন হাসান। এরপর মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পান এবাদত। মাত্র ১ রান করে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
এর মাঝে অবশ্য স্টিভেন স্মিথ একবার জীবন পেয়েছিলেন। এবাদতের বলে তৃতীয় স্লিপে তার ক্যাচ ধরতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। অস্ট্রেলিয়ার বিপদ আরও বাড়ে ক্যামেরন গ্রিনের বিদায়ের পর। তাসকিনের ওভারের শুরুতে ছক্কা হাঁকানোর পর একই ওভারের শেষ বলে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। ১৩ বলে তিনি ১৩ রান করেন।
লাঞ্চের সময় অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে গিয়েছিল। বিরতির পর স্মিথ-ক্যারির জুটিতে স্বাগতিকরা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও বাংলাদেশের পেসাররা দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেয়।
রিপোর্টারের নাম 






















