মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বাঁশখালীতে বন্য হাতির উৎপাত: এক দশকে ১৫ হাতির মৃত্যু, ১৩ কৃষক নিহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গত এক দশকে বন্য হাতির আক্রমণে ১৩ জন কৃষক নিহত হয়েছেন এবং একই সময়ে ১৫টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ জন কৃষককে ১৯ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার, বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই তথ্য জানানো হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবাসস্থল সংকটের কারণে বন্য হাতিরা লোকালয়ে চলে আসছে, যা মানুষ-হাতি সংঘাতের মূল কারণ। বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস এবং হাতির চলাচলের পথ দখল হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে হাতিরা প্রায়শই লোকালয়ে হানা দিচ্ছে, যা প্রাণহানির ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।

বন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একটি পূর্ণবয়স্ক হাতি প্রতিদিন প্রায় ১৫০-২০০ কেজি খাবার গ্রহণ করে। কিন্তু পাহাড় ও বনভূমি ধ্বংস করে বসতি ও স্থাপনা নির্মাণ করার ফলে হাতির খাবারের উৎস সংকুচিত হচ্ছে এবং তাদের আবাসস্থলও ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে। এর ফলে তারা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

হাতি গবেষকদের মতে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, লোহাগাড়াসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বন্য হাতির বিচরণ বেড়েছে। পুরোনো চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। লোকালয়ে হাতির উপস্থিতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার মৃত্যুশোক কাটিয়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মিয়ামির হার

বাঁশখালীতে বন্য হাতির উৎপাত: এক দশকে ১৫ হাতির মৃত্যু, ১৩ কৃষক নিহত

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গত এক দশকে বন্য হাতির আক্রমণে ১৩ জন কৃষক নিহত হয়েছেন এবং একই সময়ে ১৫টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ জন কৃষককে ১৯ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার, বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই তথ্য জানানো হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবাসস্থল সংকটের কারণে বন্য হাতিরা লোকালয়ে চলে আসছে, যা মানুষ-হাতি সংঘাতের মূল কারণ। বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস এবং হাতির চলাচলের পথ দখল হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে হাতিরা প্রায়শই লোকালয়ে হানা দিচ্ছে, যা প্রাণহানির ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।

বন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় হাতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একটি পূর্ণবয়স্ক হাতি প্রতিদিন প্রায় ১৫০-২০০ কেজি খাবার গ্রহণ করে। কিন্তু পাহাড় ও বনভূমি ধ্বংস করে বসতি ও স্থাপনা নির্মাণ করার ফলে হাতির খাবারের উৎস সংকুচিত হচ্ছে এবং তাদের আবাসস্থলও ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে। এর ফলে তারা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

হাতি গবেষকদের মতে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, লোহাগাড়াসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বন্য হাতির বিচরণ বেড়েছে। পুরোনো চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। লোকালয়ে হাতির উপস্থিতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।