ইরানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। বিশেষ করে দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের (প্রিসিশন মিসাইল) ঘাটতি দেখা দেওয়ায় ভবিষ্যতে অন্য কোনো বড় সংঘাতে ওয়াশিংটনের সামরিক প্রস্তুতি কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়ে পেন্টাগনের অভ্যন্তরে উদ্বেগ বাড়ছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক মাস ধরে চলা এই অভিযানে যে পরিমাণ উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা পুনরায় তৈরি বা মজুত করা সময়সাপেক্ষ। মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ও সমরবিদদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে যে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা চাপের মুখে পড়বে। যদিও মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা নিরাপত্তার খাতিরে মজুতের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি, তবে তারা সরবরাহ বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয় করতে হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও ইরানের নিয়মিত হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে। এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















