মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট: মিসরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি আরবের আপত্তি

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে রিয়াদের আপত্তির খবর সামনে এসেছে। আঙ্কারা কায়রোকে এই জোটে যুক্ত করতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।

আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে মিসরের সংবেদনশীল সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরব মিসরের সদস্যপদ নিয়ে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। অন্যদিকে, মিসরও এই জোটে যোগ দিলে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। তবে জোটের বাইরে থেকেও দেশটি ফিলিস্তিন ইস্যুসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়ে এই তিন দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো—সদস্য যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা জোটভুক্ত অন্য সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট: মিসরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সৌদি আরবের আপত্তি

আপডেট সময় : ১২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে রিয়াদের আপত্তির খবর সামনে এসেছে। আঙ্কারা কায়রোকে এই জোটে যুক্ত করতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।

আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে মিসরের সংবেদনশীল সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরব মিসরের সদস্যপদ নিয়ে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। অন্যদিকে, মিসরও এই জোটে যোগ দিলে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। তবে জোটের বাইরে থেকেও দেশটি ফিলিস্তিন ইস্যুসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়ে এই তিন দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো—সদস্য যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা জোটভুক্ত অন্য সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।