মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ও কঠোর ধর্মান্তর বিরোধী আইনের ঘোষণা শুভেন্দুর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় এক দলীয় সভায় তিনি জানান, এই বিধি প্রয়োগের পর জোরপূর্বক ধর্মান্তর রোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে।

শুভেন্দু অধিকারী তার বক্তব্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রেও নতুন আইনি বিধিনিষেধ আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এক দেশ, এক আইন’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে জমি লেনদেন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিস্তারিত কোনো রূপরেখা তিনি প্রকাশ করেননি।

প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ধর্ম নির্বিশেষে একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো চালুর কথা বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুভেন্দুর এই অবস্থান বিজেপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন। তবে এই আইন কার্যকর হলে রাজ্যের সংখ্যালঘু ও জনজাতি গোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ও কঠোর ধর্মান্তর বিরোধী আইনের ঘোষণা শুভেন্দুর

আপডেট সময় : ১২:০২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় এক দলীয় সভায় তিনি জানান, এই বিধি প্রয়োগের পর জোরপূর্বক ধর্মান্তর রোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে।

শুভেন্দু অধিকারী তার বক্তব্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রেও নতুন আইনি বিধিনিষেধ আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এক দেশ, এক আইন’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে জমি লেনদেন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিস্তারিত কোনো রূপরেখা তিনি প্রকাশ করেননি।

প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ধর্ম নির্বিশেষে একটি অভিন্ন আইনি কাঠামো চালুর কথা বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুভেন্দুর এই অবস্থান বিজেপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন। তবে এই আইন কার্যকর হলে রাজ্যের সংখ্যালঘু ও জনজাতি গোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।