গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করার পর দুই নেতার দীর্ঘদিনের মিত্রতায় টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক এক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি কিছু না বলে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ দেখার পরামর্শ দেন, যদিও সেখানে এ সংক্রান্ত কোনো পোস্ট পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটনে সাম্প্রতিক বৈঠকের পর থেকেই দুই নেতার মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। বিশেষ করে নেতানিয়াহুর কিছু রাজনৈতিক অবস্থান ট্রাম্পের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোপনীয়তা বজায় রেখে করা সেই বৈঠকের বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়ায় জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমানে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু একে অন্যের জন্য ‘নির্বাচনি বোঝা’ হয়ে উঠেছেন। একজনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অন্যজনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে এই দুই নেতার ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 


















