ভারতের রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা দীর্ঘ এক যুগ ধরে বিজেপিকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, দল হিসেবে বিজেপির চেয়েও মোদি ব্যক্তিগতভাবে বেশি জনপ্রিয়। তার এই জনপ্রিয়তার ওপর ভর করেই বিজেপি টানা তিনটি সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে বর্তমানে প্রশ্ন উঠছে, এই সুসময় কি চিরস্থায়ী হবে?
মোদি সরকারের কার্যক্রমে সবসময়ই তার একক নেতৃত্বের প্রতিফলন দেখা যায়। সরকারি প্রতিশ্রুতিগুলোও ‘মোদি কি গ্যারান্টি’ হিসেবে প্রচারিত হয়। দলের ভেতরে তার প্রতি অগাধ আনুগত্য এবং তাকে ‘সর্বোচ্চ নেতা’ হিসেবে তুলে ধরার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা নিয়ে সমালোচকদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। তবুও ভারতের প্রায় ৩১ থেকে ৩৬ শতাংশ নির্দিষ্ট ভোটার এখনও মোদির ওপর অটল বিশ্বাস রাখেন, যা বিজেপির প্রধান শক্তি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মোদির বর্তমান পরিস্থিতির সাথে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তুলনা করছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো মোদিরও একটি একনিষ্ঠ সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে যারা সব পরিস্থিতিতে তার পাশে থাকে। তবে দীর্ঘদিনের শাসন এবং ক্রমবর্ধমান বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই জনপ্রিয়তায় কোনো ফাটল ধরছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে মোদি ফ্যাক্টর কতটুকু কার্যকর থাকবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 





















