বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ করেছে যে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে ঘাপটি মেরে থাকা ‘গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসররা’ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত অ্যাক্টিভিস্টদের কাছে মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছেন। এসব তথ্য যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরঞ্জিত ও মনগড়া গল্প হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা দায়িত্ব পালনে ফিরে আসা পুলিশ সদস্যদের মনোবল ক্ষুন্ন করছে এবং একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর কর্ম-স্পৃহা ও কার্যক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করছে।
রোববার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভঙ্গুর মনোবল যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বাহিনীর সদস্যরা নতুন উদ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনে ফিরে আসছেন, ঠিক সেই সময়ে পলাতক, জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট শক্তি এবং কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল একটি পরিকল্পিত অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুঃখজনকভাবে এ ধরনের অপতথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ক্রমেই ব্যক্তিবিশেষ থেকে শুরু করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এমনকি পুলিশের বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধে কুৎসা ও অপপ্রচারে রূপ নিচ্ছে। এর ফলে দায়িত্ব পালনে ফিরে আসা পুলিশ সদস্যদের মনোবল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর কর্ম-স্পৃহা ও কার্যক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, ব্যক্তিস্বার্থ, গোষ্ঠীগত স্বার্থ কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য একটি সুশৃঙ্খল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রচারণা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
রিপোর্টারের নাম 



















