মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদন

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই মনোনয়ন ‘চূড়ান্ত’ করেছেন বলে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক জ্যেষ্ঠ বিএনপি নেতা নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জ্যেষ্ঠ নেতা এবং মন্ত্রিসভার সদস্য জানান, ‘দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছে।’ দীর্ঘদিনের এই বিএনপি মহাসচিবকেই যে দল রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চায়, তিনি তা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ বিএনপি নেতার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের প্রায় সবাই জানান যে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে এবং এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক নেতা ফখরুল ইসলামের নাম চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে রোববার সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদ সদস্যদের সমর্থনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদীয় সমীকরণে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসে।

নির্বাচন কমিশন আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে। গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সবুজ নগর গঠনের আহ্বানে কামরাঙ্গীরচরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদন

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই মনোনয়ন ‘চূড়ান্ত’ করেছেন বলে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত এক জ্যেষ্ঠ বিএনপি নেতা নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জ্যেষ্ঠ নেতা এবং মন্ত্রিসভার সদস্য জানান, ‘দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছে।’ দীর্ঘদিনের এই বিএনপি মহাসচিবকেই যে দল রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চায়, তিনি তা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ বিএনপি নেতার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের প্রায় সবাই জানান যে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে এবং এ বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক নেতা ফখরুল ইসলামের নাম চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে রোববার সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগে দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদ সদস্যদের সমর্থনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদীয় সমীকরণে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন আসে।

নির্বাচন কমিশন আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছে। গত ২৪ জুলাই মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।