সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় এই তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তিটি সই হয়। এমন এক সময়ে এই শক্তিশালী জোট গঠিত হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হলো কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করা এবং পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও সুসংহত করা। চুক্তির শর্তানুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির বিরুদ্ধে আক্রমণকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা একটি আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করল।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একক প্রভাব ও নির্ভরতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত এক দশকে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে যে সংশয় তৈরি হয়েছিল, এই চুক্তি তারই একটি প্রতিফলন। তবে এই জোটের উদ্দেশ্য ওয়াশিংটনকে সম্পূর্ণ বর্জন করা নয়, বরং নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক বিকল্প শক্তি গড়ে তোলা।
রিপোর্টারের নাম 

























