ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩০৩, নিখোঁজ ২৭৯

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জন হয়েছে। এছাড়া, আরও ২৭৯ জনের কোনও হদিশ নেই। শনিবার (২৯ নভেম্বর) এসব তথ্য দিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার প্রধান সুহারিয়ানতো। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স থেকে এ খবর জানা গেছে।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বৃহৎ অংশ গত এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড় এবং তীব্র বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে বিভিন্ন অংশে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। মালাক্কা প্রণালিতে একটি বিরল ক্রান্তীয় ঝড়ও সৃষ্টি হয়েছে।

সুহারিয়ানতো বলেন, সুমাত্রা দ্বীপের তিনটি প্রদেশজুড়ে কমপক্ষে ৭৯ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনও শত শত মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

তিনি বলেন, আমরা উত্তর তাপানুলি থেকে সিবোলগা (উত্তর সুমাত্রা প্রদেশ) পর্যন্ত রুটটি খোলার চেষ্টা করছি, যা টানা তিন দিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ ও সরঞ্জাম পৌঁছাতে উদ্ধারকর্মীরা হেলিকপ্টার ব্যবহার করছেন, কারণ ওই অঞ্চল ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত—সেখানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং যোগাযোগ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

সুহারিয়ানতো জানান, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ সেন্ট্রাল তাপানুলি এলাকায় ত্রাণসামগ্রী লুটের চেষ্টা করেছে।

এদিকে, মালাক্কা প্রণালির ওপারে থাইল্যান্ডে দক্ষিণাঞ্চলের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জন  হয়েছে। দেশটির সরকারি মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত শনিবার এ কথা জানান। আগের হিসাবে এই সংখ্যা ছিল ১৪৫ জন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসার খোঁজে নিজেই প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে হাজির অসুস্থ কাক!

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩০৩, নিখোঁজ ২৭৯

আপডেট সময় : ০২:১৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জন হয়েছে। এছাড়া, আরও ২৭৯ জনের কোনও হদিশ নেই। শনিবার (২৯ নভেম্বর) এসব তথ্য দিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার প্রধান সুহারিয়ানতো। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স থেকে এ খবর জানা গেছে।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বৃহৎ অংশ গত এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড় এবং তীব্র বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফলে বিভিন্ন অংশে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। মালাক্কা প্রণালিতে একটি বিরল ক্রান্তীয় ঝড়ও সৃষ্টি হয়েছে।

সুহারিয়ানতো বলেন, সুমাত্রা দ্বীপের তিনটি প্রদেশজুড়ে কমপক্ষে ৭৯ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনও শত শত মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

তিনি বলেন, আমরা উত্তর তাপানুলি থেকে সিবোলগা (উত্তর সুমাত্রা প্রদেশ) পর্যন্ত রুটটি খোলার চেষ্টা করছি, যা টানা তিন দিন ধরে সবচেয়ে বেশি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ ও সরঞ্জাম পৌঁছাতে উদ্ধারকর্মীরা হেলিকপ্টার ব্যবহার করছেন, কারণ ওই অঞ্চল ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত—সেখানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং যোগাযোগ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

সুহারিয়ানতো জানান, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ সেন্ট্রাল তাপানুলি এলাকায় ত্রাণসামগ্রী লুটের চেষ্টা করেছে।

এদিকে, মালাক্কা প্রণালির ওপারে থাইল্যান্ডে দক্ষিণাঞ্চলের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জন  হয়েছে। দেশটির সরকারি মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত শনিবার এ কথা জানান। আগের হিসাবে এই সংখ্যা ছিল ১৪৫ জন।