বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে তাদের দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-এর ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি কিছুটা হ্রাস পেলেও চীন শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ রেখেছে। এই তালিকায় ভিয়েতনাম তৃতীয়, ভারত চতুর্থ এবং তুরস্ক পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছর বাংলাদেশ ৩৮.৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের চেয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেশি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিল। তবে, ২০২১ সালে বাংলাদেশ আবার ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার করে, এবং ভিয়েতনাম তৃতীয় স্থানে নেমে যায়। ২০২৪ সালেও ভিয়েতনাম তৃতীয় অবস্থানে ছিল এবং ২০২৫ সালেও তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। পোশাক রপ্তানিতে বরাবরের মতোই চীন প্রথম স্থানে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।
বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের হিস্যা গত বছর ৭ শতাংশ থেকে কমে ৬.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। টানা দুই বছর ধরে বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের হিস্যা হ্রাস পাচ্ছে। ২০২৩ সালে এই হিস্যা ছিল ৬.৬৮ শতাংশ, এবং ২০২২ সালে তা ছিল ৭.৯১ শতাংশ, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের হিস্যা গত বছর বৃদ্ধি পেয়েছে। ডব্লিউটিও-এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ভিয়েতনামের রপ্তানি হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৬.৫৩ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৭ শতাংশ। গত তিন বছরের মধ্যে ২০২৩ সালে দেশটির হিস্যা ছিল ৫.৮১ শতাংশ, যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশের হিস্যা যেখানে কমছে, সেখানে ভিয়েতনামের হিস্যা বাড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















