মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

বিগত সরকারের আমলে: আলোচিত রিজেন্ট সাহেদের চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে ২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন আদালত। এই রায় ২০২০ সালের ২ আগস্ট ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলামের আদালত ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডের পাশাপাশি তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছিল।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সেসময় জানিয়েছিলেন, আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাকে সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আইনজীবী আরও বলেন, একই ঘটনায় বাদী ২০২০ সালের ১৬ জুলাই আরেকটি মামলা দায়ের করেছিলেন, তবে চেক-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যে কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা হয়।

আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসামি সাহেদের সঙ্গে চুক্তি করেন মামলার বাদী। ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন সাহেদ। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ফেরত দেয়।

একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়। সেসময় সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা চলমান ছিল বলে তার আইনজীবী জানিয়েছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচল ও নদী সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

বিগত সরকারের আমলে: আলোচিত রিজেন্ট সাহেদের চেক ডিজঅনার মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে ২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন আদালত। এই রায় ২০২০ সালের ২ আগস্ট ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলামের আদালত ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডের পাশাপাশি তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছিল।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সেসময় জানিয়েছিলেন, আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাকে সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আইনজীবী আরও বলেন, একই ঘটনায় বাদী ২০২০ সালের ১৬ জুলাই আরেকটি মামলা দায়ের করেছিলেন, তবে চেক-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যে কারণে সাহেদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা হয়।

আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য আসামি সাহেদের সঙ্গে চুক্তি করেন মামলার বাদী। ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের বংশাল থানার নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন সাহেদ। ২০২০ সালের ৫ মে বাদী চেকটি নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ফেরত দেয়।

একই বছরের ২ জুন বাদী আসামিকে চেকের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের জন্য এক মাসের সময় দিয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। তবে ওই সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ওই বছরের ২৬ জুলাই মামলাটি দায়ের করা হয়। সেসময় সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা চলমান ছিল বলে তার আইনজীবী জানিয়েছিলেন।