ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

প্রতিবেশী দেশ থেকে আগত হিন্দুরা শরণার্থী, মুসলিমরা নন: শুভেন্দু

ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানরা শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবেন, তবে মুসলিমদের এই আওতায় আনা হবে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই আইনটি পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা উল্লিখিত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের দ্রুত নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য প্রণীত হয়েছে, যেখানে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সমালোচকদের মতে, এই আইন ভারতের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমতার নীতির পরিপন্থী।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গের ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার সূচনা অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন, বরং তারা শরণার্থী। ভারত সরকারের ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর মধ্যে যারা ধর্ম বা জীবন বাঁচানোর তাগিদে ভারতে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা হয়রানি করা হবে না। তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং ভারত সরকার কোনো অনুপ্রবেশকারীকে আশ্রয় দেবে না।

তিনি অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে বীরভূমে একটি ত্রুটি ঘটেছিল, যেখানে ভারতীয় নাগরিককে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। যদিও পরে তাকে ফেরানো হয়। আমাদের সরকার নিশ্চিত করবে যাতে এই প্রক্রিয়ায় একজন প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকও বিন্দুমাত্র সমস্যায় না পড়েন।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গবেষণানির্ভর কৃষি উন্নয়নে জোর দিচ্ছে তারেক রহমান সরকার: কৃষিমন্ত্রী

প্রতিবেশী দেশ থেকে আগত হিন্দুরা শরণার্থী, মুসলিমরা নন: শুভেন্দু

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানরা শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবেন, তবে মুসলিমদের এই আওতায় আনা হবে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই আইনটি পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা উল্লিখিত ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের দ্রুত নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য প্রণীত হয়েছে, যেখানে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সমালোচকদের মতে, এই আইন ভারতের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমতার নীতির পরিপন্থী।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গের ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার সূচনা অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নন, বরং তারা শরণার্থী। ভারত সরকারের ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর মধ্যে যারা ধর্ম বা জীবন বাঁচানোর তাগিদে ভারতে এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা হয়রানি করা হবে না। তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং ভারত সরকার কোনো অনুপ্রবেশকারীকে আশ্রয় দেবে না।

তিনি অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে বীরভূমে একটি ত্রুটি ঘটেছিল, যেখানে ভারতীয় নাগরিককে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। যদিও পরে তাকে ফেরানো হয়। আমাদের সরকার নিশ্চিত করবে যাতে এই প্রক্রিয়ায় একজন প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকও বিন্দুমাত্র সমস্যায় না পড়েন।’