মাঠপর্যায়ের বাস্তব তথ্যভিত্তিক গবেষণাই প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এ ধরনের গবেষণা শিক্ষার্থীদের দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের গ্যালারিতে ‘ব্র্যাক-এনিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স আর্টিফিশিয়াল ইনসেমিনেশন (এবিজি-এআই) মার্কেট সার্ভে’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী ও শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য আরও বলেন, এই সার্ভের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, কৃষকদের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কার্যক্রম এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সফলতা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। এসব গবেষণালব্ধ তথ্য দেশের প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং গবেষণার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের দক্ষ গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়াও সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. শরীফুল ইসলাম এবং প্রকল্পে সম্পৃক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে সহ-গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন জানান, বিগত ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম প্রজনন খাতের সুযোগ, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা মূল্যায়নে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ের জরিপ পরিচালনা করা হয়। গবেষণার অংশ হিসেবে দেশের আটটি বিভাগের ৭ হাজার ১০০ জন খামারি এবং বিভিন্ন ব্রিডিং প্রতিষ্ঠানের ৭৫০ জন প্রজননকর্মীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আটটি বিভাগীয় কর্মশালায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ১৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও ও ব্রিডিং প্রতিষ্ঠানের ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। তথ্য সংগ্রহে পশুপালন অনুষদের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৭১ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন এবং মাস্টার্স পর্যায়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৯৭ জন শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























