বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ২০২৫–২০২৬ সেশনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে নয়টি প্রস্তাব গৃহীত হয়। শনিবার রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে দলের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক সভাপতিত্ব করেন।
শূরা কমিটির বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সংবিধানে আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃস্থাপন। তারা পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী সকল আইন, বিধি ও নীতিমালাকে অকার্যকর ঘোষণা করার সাংবিধানিক বিধান সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
এছাড়াও, আল্লাহ, রাসূল (সা.) এবং ইসলামের বিরুদ্ধে কটূক্তি ও অবমাননাকর কর্মকাণ্ড ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংবলিত কঠোর আইন প্রণয়ন ও দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী এসব অপরাধ প্রতিরোধে এই পদক্ষেপ জরুরি।
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়ে শূরা অধিবেশন এটিকে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করেছে। গণভোটে জনগণের প্রদত্ত রায়কে সর্বোচ্চ গণরায় হিসেবে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান গণহত্যা এবং ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন ও সহিংসতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি), জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদানের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তাব হলো কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা। শূরা অধিবেশনে বলা হয়েছে, কাদিয়ানী সম্প্রদায় ইসলামের মৌলিক আকিদা-বিশ্বাসের পরিপন্থী মতবাদ অনুসরণ করে। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রের অনুসরণে বাংলাদেশেও কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















