বাংলাদেশ, ২০২৬ সাল। বর্তমান বিএনপি সরকারের শাসনামলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ফিলিস্তিনিদের উপর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনের একটি ১২০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই স্থাপনাটি ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের (নাকবা) ঘোষণার অন্তত চার দশক পূর্বে নির্মিত হয়েছিল।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, এটি তাদের নিজস্ব মাতৃভূমিতে ফিলিস্তিনি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাচীন সংস্কৃতি মুছে ফেলার একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। সংবাদমাধ্যম এজে প্লাসের বরাত দিয়ে ঐতিহাসিক এই ধ্বংসযজ্ঞের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরাইলি বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, যৌথ অভিযান ও গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, গত শুক্রবার ইসরাইলি পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর উপস্থিতিতে বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরের আল-মুঘাইয়্যির গ্রামে হামলা চালায়। এ সময় গুলি বর্ষণে ১০ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি শিশু গুরুতর আহত হয়।
ওয়াফার অপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নাবলুসের দক্ষিণে খাওয়ার্তা তল্লাশি চৌকির কাছে এক ফিলিস্তিনি নাগরিককে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে ইসরাইলি বাহিনী। নাবলুসে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্টের অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা কেন্দ্রের পরিচালক আমজাদ আহমেদ জানান, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আহত ২২ বছর বয়সী এক যুবককে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহে নাবলুসের কাছে টেল গ্রামে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় চার ফিলিস্তিনি ও দুজন ইসরাইলি নিহত হন। এর পর থেকে ওই এলাকায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই রাতভর অভিযান ও গ্রেপ্তার চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাতেও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। জরুরি উদ্ধার পরিষেবার এক সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজা শহরের সাবরা এলাকায় ইসরাইলি ড্রোন হামলায় অন্তত একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার সালাহ আল-দিন সড়কে পরিচালিত অপর একটি পৃথক বিমান হামলায়ও একজন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান বলে আল-আকসা মার্টার্স হাসপাতালের চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 



















