ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গিভাতি ব্রিগেডের ‘তজাবার’ ব্যাটালিয়নের প্রায় ১০০ জন সেনাসদস্য তাদের কমান্ডারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। ক্ষুব্ধ সেনারা তাদের ব্যক্তিগত অস্ত্র ও সরঞ্জাম নেগেভ মরুভূমির ‘সদে তেইমান’ ঘাঁটিতে ফেলে রেখে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’-এর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আলজাজিরা।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সেনাদের দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত কিছু ঐতিহ্যবাহী প্রতীক বা চিহ্ন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সেনাদের দাবি, এই প্রতীকগুলো গাজা ও লেবানন যুদ্ধের সময় তাদের সঙ্গী ছিল এবং এগুলো ব্যাটালিয়নের ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত। কমান্ডারের এই সিদ্ধান্তকে তারা তাদের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মারিভ’ এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই গণ-বিদ্রোহের ফলে ব্যাটালিয়নটি বর্তমানে গাজায় কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে যাওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই এমন বিশৃঙ্খলা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভেতরে বড় ধরনের ফাটল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে ‘ইসরায়েল হ্যায়োম’ পত্রিকা জানিয়েছে, সেনারা তাদের কমান্ডারের ওপর এতটাই ক্ষুব্ধ ছিলেন যে তারা সামরিক নিয়ম ভেঙে কেবল ব্যক্তিগত ব্যাগ নিয়ে ঘাঁটি ত্যাগ করেন। এই ঘটনাটি ইসরায়েলি সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে আসন্ন সামরিক অভিযানগুলো অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























