কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক আটক ভারতীয় গরু নিলাম প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় একদিন পর রৌমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জামায়াতের শহীদ আবু সাইদ ইউনিটের রৌমারী শাখার সভাপতি মাহবুব আলম বুধবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে এই অভিযোগটি করেন।
অভিযোগে সুতিরপাড় গ্রামের মিলন মিয়া, নটানপাড়া গ্রামের আল আমিন, জন্তিরকান্দা গ্রামের রাশেদ এবং নটানপাড়া গ্রামের শাহীন আলমসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫-৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে রৌমারী উপজেলা চত্বরে কাস্টমসের তত্ত্বাবধানে ১০টি ভারতীয় গরু প্রকাশ্য নিলামে বিক্রির আয়োজন করা হয়। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং জামায়াত ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নিলামস্থলে উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সমঝোতার ভিত্তিতে নিলামে অংশ নিয়ে লভ্যাংশ ভাগাভাগির চেষ্টা করে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দাবি করলে বিএনপির পক্ষ থেকে ৩০ শতাংশ দিতে রাজি হয়। তবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে জামায়াতের শহীদ আবু সাইদ ইউনিটের রৌমারী শাখার সভাপতি মাহবুব আলম মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে দুই দলের উপজেলা পর্যায়ের নেতারা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পুনরায় প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইসরাফিল নামের একজন বিডার সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকায় ১০টি ভারতীয় গরু কিনে নেন। অভিযোগকারী মাহবুব আলম উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা সাধারণ নিলাম ডাককারীদের নিলামে অংশ নিতে বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ভিডিও ধারণকালে তাকে ও আরও ২-৩ জনকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে জখম করে।
রিপোর্টারের নাম 






















