দেশের গণমাধ্যম জগতে শোকের ছায়া ফেলে চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক খন্দকার মোহাম্মদ আবুল হাসনাত, যিনি কিসমত খন্দকার নামেই পরিচিত ছিলেন। গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর আফতাবনগরে নাগরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কিসমত খন্দকার গত কয়েকদিন ধরে পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। বুধবার সকালে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন এবং বিকেলে পরীক্ষার রিপোর্ট দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর ভাতিজা রিসাত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মরহুমের পরিবার জানিয়েছে, গতকাল রাতেই সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ তাঁর গোসল সম্পন্ন হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মরদেহ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিজ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য কিসমত খন্দকারের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এক শোকবার্তায় ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তারা তাঁর সাংবাদিকতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















