ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

৩ লাখ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সম্মতি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন। মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক আলোচনার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে নেইপিদো।

মালয়েশিয়ার চেন্নাহ এলাকায় স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় আনোয়ার ইব্রাহিম এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং সতর্ক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে হয়।

আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানান, এর আগে অনেকেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানালেও মিয়ানমারের অনীহার কারণে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সম্মতিকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দেশটিতে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের স্থানীয় আইন মেনে চলার এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হলে বাংলাদেশের ওপর থেকে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২, বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে দলে টানার অভিযোগ

৩ লাখ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সম্মতি, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন। মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক আলোচনার ফলস্বরূপ বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে নেইপিদো।

মালয়েশিয়ার চেন্নাহ এলাকায় স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় আনোয়ার ইব্রাহিম এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং সতর্ক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে হয়।

আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানান, এর আগে অনেকেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানালেও মিয়ানমারের অনীহার কারণে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সম্মতিকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দেশটিতে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের স্থানীয় আইন মেনে চলার এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল হলে বাংলাদেশের ওপর থেকে রোহিঙ্গা সংকটের চাপ অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।