ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলি আদালতের রায়ে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি স্কুল ও বসতবাড়ি ভাঙার পথ উন্মুক্ত

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং তিনটি বসতবাড়ি ধ্বংসের প্রক্রিয়া থামানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসরাইলের একটি সামরিক আদালত। এই রায়ের ফলে যেকোনো সময় অবকাঠামো ও বাড়িগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি বাহিনীকে আইনি পথ তৈরি করে দেওয়া হলো, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় মেয়েদের একটি মাধ্যমিক স্কুল ভেঙে ফেলার যে সামরিক নির্দেশ জারি করা হয়েছিল, তা স্থগিত করার আর্জি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। ২০১৬ সাল থেকেই স্কুলটি ধ্বংসের হুমকির মুখে ছিল এবং ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর সুরক্ষায় দীর্ঘকাল ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছে।

এর পাশাপাশি, মাসাফের ইয়াত্তার স্থানীয় ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের তিনটি বসতবাড়ি ধ্বংসের বিরুদ্ধে আনা পৃথক তিনটি পিটিশনও একই আদেশে খারিজ করে দেওয়া হয়। এই রায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের আশঙ্কায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আদালতের এই রায়ের ফলে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এখন যেকোনো মুহূর্তে স্কুলটি ও ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের বাড়িগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে তাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এটি ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকট আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গরু নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের হাতাহাতি, অভিযোগ দায়ের

ইসরাইলি আদালতের রায়ে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি স্কুল ও বসতবাড়ি ভাঙার পথ উন্মুক্ত

আপডেট সময় : ১০:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার একটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং তিনটি বসতবাড়ি ধ্বংসের প্রক্রিয়া থামানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসরাইলের একটি সামরিক আদালত। এই রায়ের ফলে যেকোনো সময় অবকাঠামো ও বাড়িগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি বাহিনীকে আইনি পথ তৈরি করে দেওয়া হলো, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় মেয়েদের একটি মাধ্যমিক স্কুল ভেঙে ফেলার যে সামরিক নির্দেশ জারি করা হয়েছিল, তা স্থগিত করার আর্জি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। ২০১৬ সাল থেকেই স্কুলটি ধ্বংসের হুমকির মুখে ছিল এবং ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর সুরক্ষায় দীর্ঘকাল ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছে।

এর পাশাপাশি, মাসাফের ইয়াত্তার স্থানীয় ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের তিনটি বসতবাড়ি ধ্বংসের বিরুদ্ধে আনা পৃথক তিনটি পিটিশনও একই আদেশে খারিজ করে দেওয়া হয়। এই রায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং তাদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের আশঙ্কায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আদালতের এই রায়ের ফলে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এখন যেকোনো মুহূর্তে স্কুলটি ও ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের বাড়িগুলো গুঁড়িয়ে দিয়ে তাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এটি ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকট আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।