ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগে অমিত শাহর অনুমতি ছিল: রাহুল গান্ধী

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার লোকসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন, যার পরপরই লোকসভায় হট্টগোল শুরু হয়।

রাহুল দাবি করেন, দিল্লিতে ২০ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের শরীরে পেলেট ঢুকেছে। ভারতের ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের বলপ্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীরই থাকে।’

রাহুলের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দাবি করে বলেন, ‘কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ করা যায় না।’

বক্তব্যে রাহুল আন্দোলনরত ছাত্রদের সাহসের প্রশংসা করে অভিযোগ করেন, আরএসএস দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। তার দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

রাহুল বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও, তা কেবল প্রতীকী হবে, কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যত আরএসএস পরিচালনা করছে।

অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল দাবি করেন, দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনেই কাজ করে এবং ছাত্রদের বিরুদ্ধে নেওয়া পুলিশি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার তিতাসে টেঁটাযুদ্ধে নারী নিহত: ৬১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, গ্রেপ্তার ৫

শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগে অমিত শাহর অনুমতি ছিল: রাহুল গান্ধী

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার লোকসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন, যার পরপরই লোকসভায় হট্টগোল শুরু হয়।

রাহুল দাবি করেন, দিল্লিতে ২০ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের শরীরে পেলেট ঢুকেছে। ভারতের ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের বলপ্রয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীরই থাকে।’

রাহুলের এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দাবি করে বলেন, ‘কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ করা যায় না।’

বক্তব্যে রাহুল আন্দোলনরত ছাত্রদের সাহসের প্রশংসা করে অভিযোগ করেন, আরএসএস দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদের প্রভাব বিস্তার করেছে। তার দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

রাহুল বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও, তা কেবল প্রতীকী হবে, কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যত আরএসএস পরিচালনা করছে।

অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল দাবি করেন, দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনেই কাজ করে এবং ছাত্রদের বিরুদ্ধে নেওয়া পুলিশি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিতে হবে।