ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক ‘কবুল’ ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ের মাধ্যমে একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র ও বৈধ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে একে ইমানের অর্ধেক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বিয়ের সময় পাত্রকে কেবল ‘কবুল’ শব্দটিই উচ্চারণ করতে হবে, অন্যথায় বিয়ে বৈধ হবে না। তবে ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্র ও ফতোয়া অনুযায়ী, কেবল ‘কবুল’ নয়, বরং সম্মতিজ্ঞাপক আরও কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ উচ্চারণের মাধ্যমেও বিয়ে সম্পন্ন হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ)। যদি পাত্র ‘কবুল’ শব্দের পরিবর্তে ‘আমি গ্রহণ করলাম’ বা ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি রাজি’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে, তবে সেটিও সম্মতি হিসেবে গণ্য হবে। ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ও হেদায়ার মতো নির্ভরযোগ্য কিতাবগুলোতে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, এমন শব্দ ব্যবহার করতে হবে যা দ্বারা স্পষ্টভাবে বিয়ের স্বীকৃতি প্রকাশ পায়।

বিয়ে সম্পন্নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি শব্দ বা বাক্য হলো: ১. ‘ক্ববিলতু’ (আমি গ্রহণ করলাম), ২. ‘রদ্বিতু’ (আমি সন্তুষ্ট বা রাজি হলাম), ৩. ‘তাজাওয়াজতুহা’ (আমি তাকে বিয়ে করলাম), ৪. ‘আনকাহতু নাফসি ইয়্যাহু’ (আমি নিজেকে তার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম) এবং ৫. ‘আজাযতুহু’ (আমি একে অনুমোদন দিলাম)। এই শব্দগুলো সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বিয়ের সম্মতি প্রকাশ করে বিধায় শরিয়াহর দৃষ্টিতে এগুলো দ্বারা নিকাহ সহিহ হয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত: ১৬ নেতার পদত্যাগ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক ‘কবুল’ ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ের মাধ্যমে একজন নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র ও বৈধ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে একে ইমানের অর্ধেক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বিয়ের সময় পাত্রকে কেবল ‘কবুল’ শব্দটিই উচ্চারণ করতে হবে, অন্যথায় বিয়ে বৈধ হবে না। তবে ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্র ও ফতোয়া অনুযায়ী, কেবল ‘কবুল’ নয়, বরং সম্মতিজ্ঞাপক আরও কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ উচ্চারণের মাধ্যমেও বিয়ে সম্পন্ন হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, বিয়ের মূল ভিত্তি হলো ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ)। যদি পাত্র ‘কবুল’ শব্দের পরিবর্তে ‘আমি গ্রহণ করলাম’ বা ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি রাজি’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করে, তবে সেটিও সম্মতি হিসেবে গণ্য হবে। ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ও হেদায়ার মতো নির্ভরযোগ্য কিতাবগুলোতে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, এমন শব্দ ব্যবহার করতে হবে যা দ্বারা স্পষ্টভাবে বিয়ের স্বীকৃতি প্রকাশ পায়।

বিয়ে সম্পন্নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি শব্দ বা বাক্য হলো: ১. ‘ক্ববিলতু’ (আমি গ্রহণ করলাম), ২. ‘রদ্বিতু’ (আমি সন্তুষ্ট বা রাজি হলাম), ৩. ‘তাজাওয়াজতুহা’ (আমি তাকে বিয়ে করলাম), ৪. ‘আনকাহতু নাফসি ইয়্যাহু’ (আমি নিজেকে তার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম) এবং ৫. ‘আজাযতুহু’ (আমি একে অনুমোদন দিলাম)। এই শব্দগুলো সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বিয়ের সম্মতি প্রকাশ করে বিধায় শরিয়াহর দৃষ্টিতে এগুলো দ্বারা নিকাহ সহিহ হয়ে যায়।