ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই প্রস্তুতির কথা জানান।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি উদ্বোধনের জন্য সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বিমানবন্দরের কার্যক্রম হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তথা ‘ওরাট’ (ORAT) কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অকৃত্রিম বন্ধু এবং এই মেগা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে জাপানিজ স্টেকহোল্ডারদের সক্রিয় সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

জাপানের বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠক শেষে ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া উপলক্ষে জাপানি উপদেষ্টাকে একটি ড্রিমলাইনারের মডেল উপহার দেওয়া হয়। এই টার্মিনালটি পুরোদমে চালু হলে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা: আওয়ামী লীগের ৪ কর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসার সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই প্রস্তুতির কথা জানান।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি উদ্বোধনের জন্য সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বিমানবন্দরের কার্যক্রম হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তথা ‘ওরাট’ (ORAT) কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অকৃত্রিম বন্ধু এবং এই মেগা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে জাপানিজ স্টেকহোল্ডারদের সক্রিয় সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

জাপানের বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠক শেষে ঢাকা-নারিতা রুটে বিমানের ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া উপলক্ষে জাপানি উপদেষ্টাকে একটি ড্রিমলাইনারের মডেল উপহার দেওয়া হয়। এই টার্মিনালটি পুরোদমে চালু হলে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।