ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ফুলবাড়ীয়া-আছিম সড়কে মরণফাঁদ: ১২ কিলোমিটার জুড়ে খানাখন্দ, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা সদর থেকে আছিম বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এর ফলে রিকশা, অটোরিকশা থেকে শুরু করে বাস-ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যেমন ইসলামিয়া কলেজ, ফকির বাড়ি ও বাইপাস মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহনগুলোকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যাতায়াতে আগের চেয়ে দ্বিগুণ সময় ব্যয় হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সড়কটির কিছু অংশের সংস্কার কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট

ফুলবাড়ীয়া-আছিম সড়কে মরণফাঁদ: ১২ কিলোমিটার জুড়ে খানাখন্দ, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা সদর থেকে আছিম বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এর ফলে রিকশা, অটোরিকশা থেকে শুরু করে বাস-ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যেমন ইসলামিয়া কলেজ, ফকির বাড়ি ও বাইপাস মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহনগুলোকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খানাখন্দের কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এবং যাতায়াতে আগের চেয়ে দ্বিগুণ সময় ব্যয় হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সড়কটির কিছু অংশের সংস্কার কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।