ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

করের আওতায় আসছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা: বাস্তবায়নে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ

দেশের রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়াতে প্রথমবারের মতো খুচরা দোকানিদের করজালের আওতায় নিয়ে এসেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উৎপাদনকারী বা আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের সময় খুচরা ব্যবসায়ীদের ০.২ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ, প্রতি এক হাজার টাকার পণ্য কেনাকাটার বিপরীতে দোকানিকে দুই টাকা কর দিতে হবে। এই প্রক্রিয়া কার্যকর করতে আয়কর আইন-২০২৩ সংশোধন করে ১২৭(খ) নামে একটি নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

রাজস্ব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কর আদায়ের প্রক্রিয়াটি মূলত একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে, যা বর্তমানে তৈরির কাজ চলছে। তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অ্যাপটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে এবং এর ব্যবহার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদার ও কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে আরও কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অগ্রিম আয়করের চালান আইভাস (iBAS++) সিস্টেমে যুক্ত করার জন্য কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৬ বছর ধরে পত্রিকা বিলি: কাপ্তাইয়ের মোহাম্মদ হোসেনের জীবনসংগ্রামের গল্প

করের আওতায় আসছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা: বাস্তবায়নে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দেশের রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়াতে প্রথমবারের মতো খুচরা দোকানিদের করজালের আওতায় নিয়ে এসেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উৎপাদনকারী বা আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের সময় খুচরা ব্যবসায়ীদের ০.২ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ, প্রতি এক হাজার টাকার পণ্য কেনাকাটার বিপরীতে দোকানিকে দুই টাকা কর দিতে হবে। এই প্রক্রিয়া কার্যকর করতে আয়কর আইন-২০২৩ সংশোধন করে ১২৭(খ) নামে একটি নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।

রাজস্ব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই কর আদায়ের প্রক্রিয়াটি মূলত একটি বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে, যা বর্তমানে তৈরির কাজ চলছে। তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অ্যাপটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে এবং এর ব্যবহার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীদার ও কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে আরও কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অগ্রিম আয়করের চালান আইভাস (iBAS++) সিস্টেমে যুক্ত করার জন্য কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।