বড় হয়ে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন ছিল ১৩ বছর বয়সী সামিউ আমান নূরের। মেধা আর পরিশ্রমে নিজের নাম উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে চেয়েছিল সে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বিজ্ঞানী হওয়া আর হলো না তার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর বিজয় মিছিলে যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়ে আজ সে ‘শহীদ নূর’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া এই কিশোরের আত্মত্যাগ এখন মানুষের মুখে মুখে।
গাজীপুরের টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকায় বসবাসরত নূরের পরিবারে সে ছিল পরম আদরের। সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতনের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র নূর ছিল শান্ত স্বভাবের এবং ধর্মপ্রাণ। ৫ আগস্ট দুপুরে যখন শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবর আসে, তখন আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে বন্ধুদের সঙ্গে বিজয় মিছিলে যোগ দেয় সে। উত্তরায় ফ্লাইওভারের ওপর লাখো মানুষের স্লোগানের মাঝে হঠাৎ পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের গুলিবর্ষণ শুরু হলে একটি বুলেট নূরের কপালে বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে সম্ভাবনাময় এই কিশোর। তার এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















