ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

খুলনার চুকনগরে অবৈধ মার্কেট নির্মাণে কোটি টাকার হরিলুট, বিপাকে সাধারণ ব্যবসায়ীরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র চুকনগরে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে দুটি মার্কেট নির্মাণের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের সরকারি জায়গা দখল করে আইন লঙ্ঘন করে নির্মিত এই মার্কেট দুটিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। এই বিরোধের রেশ পড়েছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতেও, যা প্রকাশ্য সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার পর্যন্ত গড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে জেলা পরিষদের জরাজীর্ণ ডাকবাংলো ভেঙে তৎকালীন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মদতে নিয়মবহির্ভূতভাবে এই মার্কেট দুটি নির্মাণ করা হয়। সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন করে নির্মিত এই মার্কেটের ১২৬টি দোকান পনেরো থেকে পঁচিশ লাখ টাকায় বিক্রির পাঁয়তারা চালানো হয়। বর্তমানে এক পক্ষ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানালেও, মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে দোকান বরাদ্দ নেওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা উচ্ছেদ আতঙ্কে সর্বস্বান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে খাল দখল ও জলাবদ্ধতায় বিপাকে কৃষক, তলিয়ে গেছে হাজার বিঘা জমি

খুলনার চুকনগরে অবৈধ মার্কেট নির্মাণে কোটি টাকার হরিলুট, বিপাকে সাধারণ ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

খুলনার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র চুকনগরে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে দুটি মার্কেট নির্মাণের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের সরকারি জায়গা দখল করে আইন লঙ্ঘন করে নির্মিত এই মার্কেট দুটিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। এই বিরোধের রেশ পড়েছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতেও, যা প্রকাশ্য সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি বহিষ্কার পর্যন্ত গড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে জেলা পরিষদের জরাজীর্ণ ডাকবাংলো ভেঙে তৎকালীন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাদের মদতে নিয়মবহির্ভূতভাবে এই মার্কেট দুটি নির্মাণ করা হয়। সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন করে নির্মিত এই মার্কেটের ১২৬টি দোকান পনেরো থেকে পঁচিশ লাখ টাকায় বিক্রির পাঁয়তারা চালানো হয়। বর্তমানে এক পক্ষ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানালেও, মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে দোকান বরাদ্দ নেওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা উচ্ছেদ আতঙ্কে সর্বস্বান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।