ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় চরম অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) ডোমার উপজেলা পরিষদে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে চলা ভাইভা পরীক্ষায় এমন বিশৃঙ্খল চিত্র দেখা যায়, যার ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, শুমারি কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবী বা কর্মী নিয়োগের এই ভাইভায় কোনো নির্ধারিত সিরিয়াল বা নিয়ম রক্ষা করা হয়নি। দেরিতে এসেও সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী কিংবা কর্মচারীদের সুপারিশ ও সুসম্পর্কের জোরে অনেকে দ্রুত পরীক্ষা শেষ করে চলে যান। এমনকি অনেক পরীক্ষার্থীর ভাইভা না নিয়েই ফরমালিটি সম্পন্ন করে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

পরীক্ষার্থী আসাদুল্লাহ আল মাদানী ও রহিম ইসলাম অভিযোগ করেন, কেন্দ্রেই সরাসরি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নামের তালিকা জমা নিতে দেখা গেছে। যোগ্যতা ও সঠিক উত্তরের মূল্যায়ন না করে আগে থেকেই দলীয়ভাবে পছন্দের তালিকা সেট করে রাখা হয়েছে বলে অপর পরীক্ষার্থী মাহির মিলন ও একাধিক নারী পরীক্ষার্থী জানান। পরীক্ষার্থীদের মতে, এটি কেবল ভাইভার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার একটি লোকদেখানো নাটক।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ দাবি করেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। তবে এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ডোমার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কামরুজ্জামানকে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার ন্যায়বিচারের স্বার্থে জরুরি: ডা. শফিকুর রহমান

ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:১৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি কর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় চরম অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) ডোমার উপজেলা পরিষদে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে চলা ভাইভা পরীক্ষায় এমন বিশৃঙ্খল চিত্র দেখা যায়, যার ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েই কেন্দ্র ত্যাগ করেন।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, শুমারি কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবী বা কর্মী নিয়োগের এই ভাইভায় কোনো নির্ধারিত সিরিয়াল বা নিয়ম রক্ষা করা হয়নি। দেরিতে এসেও সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী কিংবা কর্মচারীদের সুপারিশ ও সুসম্পর্কের জোরে অনেকে দ্রুত পরীক্ষা শেষ করে চলে যান। এমনকি অনেক পরীক্ষার্থীর ভাইভা না নিয়েই ফরমালিটি সম্পন্ন করে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

পরীক্ষার্থী আসাদুল্লাহ আল মাদানী ও রহিম ইসলাম অভিযোগ করেন, কেন্দ্রেই সরাসরি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নামের তালিকা জমা নিতে দেখা গেছে। যোগ্যতা ও সঠিক উত্তরের মূল্যায়ন না করে আগে থেকেই দলীয়ভাবে পছন্দের তালিকা সেট করে রাখা হয়েছে বলে অপর পরীক্ষার্থী মাহির মিলন ও একাধিক নারী পরীক্ষার্থী জানান। পরীক্ষার্থীদের মতে, এটি কেবল ভাইভার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার একটি লোকদেখানো নাটক।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদ মাহমুদ দাবি করেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ নেই। তবে এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য ডোমার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কামরুজ্জামানকে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।