ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বন্যাদুর্গত পাঁচ জেলার ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি ৩ মাস স্থগিত

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি—এই পাঁচ জেলার ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া গতকাল শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি জানান, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী এসব এলাকায় আগামী তিন মাস ঋণ আদায় বন্ধ থাকবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বানভাসি মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেন।

এ সময় বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাহাদুর রইচুর রহমান, সহকারী কমিশনার ভূমি (বাঁশখালী) মো. ওমর সানী আকন এবং চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পি. পি. অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হবে এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি, সংকট কাটছে না দ্রুত

বন্যাদুর্গত পাঁচ জেলার ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি ৩ মাস স্থগিত

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি—এই পাঁচ জেলার ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় আগামী তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া গতকাল শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি জানান, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী এসব এলাকায় আগামী তিন মাস ঋণ আদায় বন্ধ থাকবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বানভাসি মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেন।

এ সময় বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাহাদুর রইচুর রহমান, সহকারী কমিশনার ভূমি (বাঁশখালী) মো. ওমর সানী আকন এবং চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পি. পি. অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব হবে এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার হবে।