জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে ছাত্র-জনতার মধ্যে তীব্র আন্দোলন দানা বেঁধে উঠেছে। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে রয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি, যিনি বিগত আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
সম্প্রতি, একটি পত্রিকার সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে করা একটি মন্তব্যে ছাত্র-জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। শহীদ ওসমান হাদি এই বক্তব্যকে বিপ্লবীদের রক্তের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি তোলেন। তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তে অর্জিত শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে যার ধোঁয়াশা সৃষ্টির দুঃসাহস হয়, সে নতুন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকার নৈতিক অধিকার রাখে না।
ওসমান হাদির নেতৃত্বে রাজপথের সমাবেশ থেকে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৩ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজু ভাস্কর্য ও শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণ থেকে হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক পদযাত্রা শুরু করেন। এই আন্দোলনের সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলমসহ জুলাই আন্দোলনের অগ্রভাগের নেতারাও যুক্ত ছিলেন। আন্দোলনকারীরা বঙ্গভবনের মূল ফটকের সামনের সড়ক ও শাপলা চত্বর সংলগ্ন এলাকা অবরুদ্ধ করে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আলটিমেটাম দেন। পরদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশাল গণজমায়েত থেকে ওসমান হাদি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগসহ সংস্কারের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ দফা দাবি পেশ করেন।
রিপোর্টারের নাম 




















