২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সুমাইয়া আক্তার (১৯) এর দুই বছর বয়সী কন্যা সোয়াইবার দায়িত্ব এখনো কেউ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সুমাইয়ার মৃত্যুর পর তার পরিবার চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এবং নাতনির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সুমাইয়ার মা আসমা বেগম। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে তার নাতনির ভবিষ্যতের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
আসমা বেগমের দুই ছেলে সজল ও শাকিল। সজল একটি কার্টনের কারখানায় এবং শাকিল একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাদের সীমিত আয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছোট ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আসমা বেগম হিমশিম খাচ্ছেন। এর মধ্যে শাকিল খিঁচুনি রোগে আক্রান্ত। সুমাইয়া শহীদ হওয়ার পর আসমা বেগম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়া শহীদ হওয়ার মাত্র আড়াই মাস আগে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যাসন্তান সোয়াইবার জন্ম দেন। সন্তান জন্মের পর অস্ত্রোপচারের ক্ষত পুরোপুরি শুকানোর আগেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় সুমাইয়ার ভগ্নিপতি মো. বিল্লাল বাদী হয়ে হাসিনাসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সুমাইয়ার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















