ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার সময় নির্ধারণ করবে ইরান: আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, সামরিক ক্ষেত্রে ‘কৌশলগত প্রাধান্য’ অর্জিত হলেই তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাবে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সংকট ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো কখন যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে, সেই সঠিক সময় নির্ধারণ করা।

আরাগচি আরও বলেন, ‘যুদ্ধের অবসান ঘটে চূড়ান্ত সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে, নয়তো আলোচনার মাধ্যমে। আলোচনায় বসার উপযুক্ত সময় তখনই আসে, যখন সামরিক ফ্রন্টে নির্ভরযোগ্য ও কৌশলগত সাফল্য অর্জিত হয়।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের জীবন এবং পুরো দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া যায় না, তাই সব সিদ্ধান্তই সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে নিতে হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া দেশটির জন্য আরো সুফল বয়ে আনবে, নাকি মানবিক ও জাতীয় ক্ষতির পরিমাণ বাড়াবে—এ বিষয়টি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে প্রতিনিয়ত বিবেচনায় রাখতে হয়। তিনি দাবি করেন, ‘কিছু ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও এই যুদ্ধে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছি এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মদনপুর-ভুলতা সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই উন্নয়ন কাজ, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার সময় নির্ধারণ করবে ইরান: আরাগচি

আপডেট সময় : ১১:১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, সামরিক ক্ষেত্রে ‘কৌশলগত প্রাধান্য’ অর্জিত হলেই তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাবে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সংকট ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো কখন যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে, সেই সঠিক সময় নির্ধারণ করা।

আরাগচি আরও বলেন, ‘যুদ্ধের অবসান ঘটে চূড়ান্ত সামরিক বিজয়ের মাধ্যমে, নয়তো আলোচনার মাধ্যমে। আলোচনায় বসার উপযুক্ত সময় তখনই আসে, যখন সামরিক ফ্রন্টে নির্ভরযোগ্য ও কৌশলগত সাফল্য অর্জিত হয়।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের জীবন এবং পুরো দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেওয়া যায় না, তাই সব সিদ্ধান্তই সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে নিতে হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া দেশটির জন্য আরো সুফল বয়ে আনবে, নাকি মানবিক ও জাতীয় ক্ষতির পরিমাণ বাড়াবে—এ বিষয়টি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে প্রতিনিয়ত বিবেচনায় রাখতে হয়। তিনি দাবি করেন, ‘কিছু ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও এই যুদ্ধে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছি এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছি।’