কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সারা দেশে পালিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি নজিরবিহীন রক্তপাতে রূপ নেয়। এদিন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র নেতাকর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারান। তিন দিনের ব্যবধানে নিহতের সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়ে যায়, যাদের অধিকাংশের শরীরেই গুলি বা মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে সরকার ওই দিন মধ্যরাত থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সান্ধ্য আইন বা কারফিউ জারি করে এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেয়। রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী ও কুড়িল এলাকায় হেলিকপ্টার থেকে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। বিটিভি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ফলে রাষ্ট্রীয় এই গণমাধ্যমের সম্প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সরকারের সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের ৯ দফা দাবিতে অনড় থাকেন, যা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক চরম অস্থিরতা তৈরি করে।
রিপোর্টারের নাম 























