জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে আজ তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর একটি প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
ডেপুটি স্পিকার এই সময় বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সমাজের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদারও পরিবর্তন ঘটে, আর এই পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য আইনেরও সংশোধনের প্রয়োজন হয়।
সংসদের লাইব্রেরিতে সদ্য পাস করা গ্র্যাজুয়েটদের জন্য পার্লামেন্টারি ফেলোশিপ বা ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম চালু করার বিষয়ে ইউএনডিপির প্রস্তাবের সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার একমত পোষণ করেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবে বলে তিনি মনে করেন।
সংসদের কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্য কোনো সংস্থার প্রকল্পের সঙ্গে যেন দ্বৈততা না হয়, সে বিষয়ে তিনি তাঁর মতামত তুলে ধরেন। এছাড়া, ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়নে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার জন্য ডেপুটি স্পিকার ইউএনডিপির কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশ ও নেপাল পার্লামেন্টের সংসদ সদস্যদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব করলে ডেপুটি স্পিকার তাতে সহমত পোষণ করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ইউএনডিপি কর্তৃক জাতীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আয়োজনের উদ্যোগের বিষয়টিতে ডেপুটি স্পিকার ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন। ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে’র নেতৃত্বে সিনিয়র গভর্নেন্স স্পেশালিস্ট ড্রাগন পোপোভিচ, তানভীর মাহমুদ, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 






















