ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল। রোববার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই বিশেষ সভা শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বিগত সময়ে গণমাধ্যমের ওপর যে ধরনের দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। শহীদ সাংবাদিকদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেজন্য একটি বৈষম্যহীন ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর তারা জোর দেন। অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড, তৃপ্ত টুখেল

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১২:১৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল। রোববার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এই বিশেষ সভা শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা গণঅভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বিগত সময়ে গণমাধ্যমের ওপর যে ধরনের দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। শহীদ সাংবাদিকদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেজন্য একটি বৈষম্যহীন ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর তারা জোর দেন। অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।