বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের প্রাক্তন ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক প্রীতি সম্মিলনীতে বক্তারা এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
রাজধানীর একটি হোটেলে সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতি বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসের ডেপুটি এম্বাসেডর খালিদ সাঈদ আলে হাদাল। সমিতির সভাপতি ড. মো. সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী এবং ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামছুল আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি এম্বাসেডর খালিদ সাঈদ আলে হাদাল বলেন, সৌদি সরকার প্রতি বছর প্রায় পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ দিয়ে থাকে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সৌদি আরবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা দেশে ফিরে ইসলামের সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তিনি আরও বলেন, “সৌদি আরব বিশ্বাস করে, মানুষ গঠনই প্রকৃত উন্নয়নের ভিত্তি।” ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা প্রাক্তন ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে তাদের ভূমিকা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























