ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিধ্বংসী বিমান হামলা

ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী ইরানের বুশেহর, চাবাহার, জাস্ক, কোনোরাক, আবু মুসা এবং বন্দর আব্বাসসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় নিখুঁত নিশানার অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের নৌ সক্ষমতা এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়াই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লোহিত সাগরসহ আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর জন্য ইরানের যে সক্ষমতা রয়েছে, তা নস্যাৎ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্স বনাম স্পেন: সেমিফাইনালে গতির লড়াই বনাম কৌশলী ফুটবল

ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিধ্বংসী বিমান হামলা

আপডেট সময় : ১২:০৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। টানা পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী ইরানের বুশেহর, চাবাহার, জাস্ক, কোনোরাক, আবু মুসা এবং বন্দর আব্বাসসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় নিখুঁত নিশানার অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের নৌ সক্ষমতা এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেওয়াই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লোহিত সাগরসহ আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর জন্য ইরানের যে সক্ষমতা রয়েছে, তা নস্যাৎ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।