ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বাহিনীটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই অভিযানকে একটি ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় মার্কিন ঘাঁটির একটি জ্বালানি সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করেছে ইরান।

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, নৌবহরের এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং একটি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া মার্কিন বাহিনীর একটি মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, তাদের এই ধরনের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পেন্টাগন এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা সত্যতা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এবং স্বাধীন কোনো সূত্র থেকেও হামলার বিস্তারিত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ১২:০৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। বাহিনীটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই অভিযানকে একটি ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় মার্কিন ঘাঁটির একটি জ্বালানি সংরক্ষণাগারে আগুন ধরে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দাবি করেছে ইরান।

আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, নৌবহরের এয়ার কন্ট্রোল রাডার এবং একটি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া মার্কিন বাহিনীর একটি মানববিহীন সারফেস ভেসেল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, তাদের এই ধরনের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পেন্টাগন এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা সত্যতা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এবং স্বাধীন কোনো সূত্র থেকেও হামলার বিস্তারিত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।