দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান জীবনযাপন নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা রহস্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সেখানে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করছেন না, বরং তার প্রতিটি পদক্ষেপ ভারত সরকারের কঠোর নজরদারি ও অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। তার ওপর আরোপিত এই নিয়ন্ত্রণ তাকে কার্যত গৃহবন্দি অবস্থার মতো একটি পরিস্থিতিতে রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই তার রাজনৈতিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দেশের একটি লুটেরা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকা গণমাধ্যমগুলো জনমত গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে রয়টার্সের সঙ্গে তার টেলিফোন সাক্ষাৎকারটিকে ভারত সরকারের একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক চাল হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির ওপর প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ভারতের জন্য বর্তমানে একটি বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা প্রচারণা চালানোর চেষ্টা হলেও, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমান সরকার তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনার দাবিতে অটল। এটি কেবল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রশ্ন নয়, বরং দেশের সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও জড়িত।
রিপোর্টারের নাম 























