ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম গোপনে পরিচালনার জন্য ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির তথ্য পাওয়া গেছে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্ত এবং পরবর্তীতে নিষিদ্ধ হওয়া এই সংগঠনের সাবেক অনুসারীরা পরিচয় গোপন করে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবিদ আব্দুল্লাহ নামে এক ছাত্রলীগ অনুসারী এই নেটওয়ার্কের মূল সংগঠক হিসেবে কাজ করছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আবিদ আব্দুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে, তিনি ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই নেটওয়ার্কে আরাফাত চৌধুরী ও হাসান জুবায়ের নামে আরও দুই অনুসারীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যদিও আবিদ এই প্ল্যাটফর্মটিকে একটি সেবামূলক উদ্যোগ হিসেবে দাবি করেছেন, তবে গোয়েন্দা সূত্র ও ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতে, এটি মূলত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একটি গোপন সাংগঠনিক কাঠামো। প্ল্যাটফর্মটির অবস্থান ধানমন্ডি এলাকায় দেখানো হলেও এর মূল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে যে, এই প্ল্যাটফর্মটি জুলাই বিপ্লববিরোধী প্রচারণায় লিপ্ত এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করছে। আবিদ আব্দুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে এই নেটওয়ার্কের অর্থায়ন ও উদ্দেশ্য নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক সমালোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই গোপন তৎপরতার বিষয়ে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 




















